“এবার আগুন নিয়ে পোড়াতে এলে, সেই হাত পুড়িয়ে দেয়া হবে”
আগুন নিয়ে পোড়াতে এলে, ওই হাত পুড়িয়ে দেয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ শনিবার সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক এসব কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী বলেন, এবার আগুন নিয়ে পোড়াতে এলে সেই হাত আমরা পুড়িয়ে দেবো; পুড়িয়ে দেবেন। যে হাতে ভাঙচুর করবে সেই হাত আমরা ভেঙে দেবো। বিএনপিকে চিনে রাখুন। এই বিএনপি এবার যদি আগুন নিয়ে আসে, এবার যদি সন্ত্রাস করতে আসে, সন্ত্রাসের কালো হাত আমরা গুড়িয়ে দেবো।
তিনি বলেন, ‘আট-ঘাট বেঁধে নেমেছেন জানি। জানি, লন্ডনের ডান হাত আপনি, ফখরুল নন। সব গোপন খবর আপনি পান। জানিয়ে দিচ্ছি, আমরা কিন্তু মাঠে আছি। আমরা রাজপথে আছি। তলে তলে কৌশল কী করছেন জানি। ভোটে জিততে পারবেন না, সে জন্য এখন চোরা গোপ্তা পথে আবারও আগুন সন্ত্রাস করবেন। প্রস্তুতি নিচ্ছেন জঙ্গিবাদকে আবারও মাঠে নামাবেন, তার ইশারা-আলামত আমরা বুঝতে পারছি।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা আক্রমণে যাবেন না। কিন্তু সতর্ক থাকতে হবে। ২০১৩-১৪ সাল মনে আছে? কীভাবে গাছ-রাস্তা কেটেছে, রেল লাইন পুড়িয়েছে, বাসে হামলা চালিয়ে নিরিহ যাত্রীকে পুড়িয়েছে, ড্রাইভার-কনডাক্টরকে মেরেছে, সারা বাংলাদেশে ভূমি অফিসে আগুন দিয়েছে, সারা দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্র পুড়িয়ে দিয়েছে।
বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির আন্দোলনের গতি দেখে ঘোড়াও হাসে, মানুষও হাসে। তারা এখন আহত অবস্থায় ভয়ে ভয়ে পদযাত্রার কথা বলছে। খবর নিয়ে দেখুন, কয়টা ইউনিয়নে এই পদযাত্রা হয়েছে। বিএনপির আন্দোলন এখন মরা গাঙের মতো। এতে কোনো ঢেউ নেই। হিংসা করে লাভ নেই। অনেক জ্বালা অনেকের ভেতরে। বিএনপির এখন জ্বালার শেষ নেই। গ্রাম শহর হয়ে যাচ্ছে এই জ্বালা। পদ্মা সেতুর জ্বালা, মেট্রোরেলের জ্বালা, শত সেতুর জ্বালা, বঙ্গবন্ধু টানেলের জ্বালা, জ্বালার শেষ নেই। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বদলে দিয়েছেন, বাংলাদেশের রূপান্তর ঘটিয়েছেন, এইটা তাদের আরও বড় জ্বালা।
আরও পড়ুনঃ মানসিকতা ও শিক্ষার পরিবেশের প্রতিবন্ধকতাগুলি দূর করতে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী





